Alokito Jibon

৳ 2.00

জামিল মাদরাসার প্রখ্যাত মুহাদ্দিস, বিশিষ্ট খতীব, হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুস সবুর সাহেব-এর ইসলাহী বয়ান সংকলন “আলোকিত জীবন”
৩৩ টি আলোড়ন সৃষ্টিকারী বয়ান, এক মলাটে।
সংক্ষিপ্ত সূচী
———–
ইসলাহী বয়ান- ১ : আশুরা : ইতিহাস ও শিক্ষা-১৫
ইসলাহী বয়ান- ২ : দাওয়াত ও তাবলীগ ঃ পথ ও পদ্ধতি-২৫
ইসলাহী বয়ান- ৩ : হক্কানী আলেম ও খাঁটি পীর চেনার পদ্ধতি-৩৭
ইসলাহী বয়ান- ৪ : মুক্তির পথ : ছিরাতে মুস্তাকিম-৪৯
ইসলাহী বয়ান- ৫ : জান্নাত ও জাহান্নাম : পথ ও পাথেয়-৬৩
ইসলাহী বয়ান- ৬ : পৃথিবীর সেরা দু’টি নেয়ামত : নারী ও সম্পদ-৭৫
ইসলাহী বয়ান- ৭ : জুমার নামায : আমল ও কর্তব্য-৮৭
ইসলাহী বয়ান- ৮ : হিজরত : মক্কা থেকে গারে ছওর-৯৭
ইসলাহী বয়ান- ৯ : মুহাম্মাদ সা. : রহমতের নবী-১০৯
ইসলাহী বয়ান- ১০ : হিজরত : গারে ছওর থেকে মদীনা-১২১
ইসলাহী বয়ান- ১১ : ইশকে নবী ও ইশকে ইলাহী : প্রয়োজনীয়তা ও পদ্ধতি-১৩৩
ইসলাহী বয়ান- ১২ : হেদায়াত : আল্লাহর একটি মহান নেয়ামত-১৪৩
ইসলাহী বয়ান- ১৩ : নারী অধিকার : একটি নিরপেক্ষ পর্যালোচনা-১৫৫
ইসলাহী বয়ান- ১৪ : সংস্কার : ইসলাম কি বলে-১৬৭
ইসলাহী বয়ান- ১৫ : গুনাহের তিনটি আমলনামা-১৮১
ইসলাহী বয়ান- ১৬ : দুনিয়া ও আখেরাত-১৯৩
ইসলাহী বয়ান- ১৭ : সুদ ও ঘুষ-২০৫
ইসলাহী বয়ান- ১৮ : হালাল রুজি ও নেক আমল-২১৭
ইসলাহী বয়ান- ১৯ : কু-চিন্তা ও কু-দৃষ্টি-২২৭
ইসলাহী বয়ান- ২০ : দাড়ি : ইসলাম কি বলে-২৩৯
ইসলাহী বয়ান- ২১ : ঘুম : আল্লাহর একটি নেয়ামত-২৫১
ইসলাহী বয়ান- ২২ : আল্লাহ তা’আলার ভয় ও ভালবাসা-২৬৩
ইসলাহী বয়ান- ২৩ : প্রতিযোগিতা : কি হবে লক্ষ্যবস্তু-২৭৫
ইসলাহী বয়ান- ২৪ : মসজিদ : আবাদ করবে কারা-২৮৫
ইসলাহী বয়ান- ২৫ : বালা-মছিবত : একটি পর্যালোচনা-২৯৫
ইসলাহী বয়ান- ২৬ : মেরাজ : করণীয় ও বর্জনীয়-৩০৭
ইসলাহী বয়ান- ২৭ : সুন্নাত ও বেদআত-৩১৯
ইসলাহী বয়ান- ২৮ : আল্লাহর ইবাদত : জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য-৩৩১
ইসলাহী বয়ান- ২৯ : জঙ্গিবাদ : একটি পর্যালোচনা-৩৪৩
ইসলাহী বয়ান- ৩০ : শবে বরাত : করণীয় ও বর্জনীয়-৩৫৫
ইসলাহী বয়ান- ৩১ : আমলের প্রতিদান-৩৬৭
ইসলাহী বয়ান- ৩২ : একটি মোবারক মাস : মাহে রমযান-৩৭৭
ইসলাহী বয়ান- ৩৩ : রোযা : তাৎপর্য, গুরুত্ব ও ফযীলত-৩৮৯

Description

মুহাররম মাসের ফযীলতের কারণ ও একটি ভ্রান্তি নিরসন আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করুন শুকরিয়ার ফল ও নাশুকরির পরিণতি নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের জন্য রোযা রাখুন
(সিরিজ এক এর কিছু অংশ পড়ে দেখুন)
মুহাররম মাসের ফযীলতের কারণ ও একটি ভ্রান্তি নিরসন
মুআজ্জাজ হাজেরীন!
আজ মুহাররম মাসের আট তারিখ। আগামী রবিবার দশ তারিখ। চন্দ্র মাসের রাত আগে আসে, দিন পরে আসে। দিন ফযীলতপূর্ণ হলে রাতও ফযীলতপূর্ণ হয়। ফযীলতপূর্ণ দিনগুলির একটি হল মুহাররম মাসের দশ তারিখ। এ দিনটি ফযীলতপূর্ণ দিন। এ দিন রোযা রাখার দিন। ইবাদত করার দিন। সুতরাং সেই হিসেবে আগামী শনিবার দিবাগত রাতও ফযীলতপূর্ণ রাত। এ রাতে সাহরী খেতে হবে। পরের দিন তথা রবিবার রোযা রাখতে হবে।
এ দিনটি কেন মোবারক হল? এ দিনে কেন রোযা রাখার আদেশ দেয়া হল? এর কারণ কি? তাৎপর্য কি? এ নিয়ে আমাদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি আছে। তাৎপর্য কি? এ নিয়ে আমাদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি আছে।
এ দিনে হযরত হুসাইন রাযি. কারবালার ময়দানে শহীদ হয়েছেন। আমরা অনেকে মনে করি, কারবালার ময়দানে শাহাদতের এই ঘটনার স্মৃতি হিসেবে এ দিন উদযাপন করা হয়। মনে করা হয়, হযরত হুসাইনের শাহাদতের কারণেই এ দিনের এতো ফযীলত।
কিন্তু বাস্তবতা তা নয়। কারণ, হুসাইন রাযি.-এর শাহাদতের অনেক আগে রাসূলুল্লাহ সা. এ দিনটির ফযীলতের কথা বর্ণনা করেছেন।
হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে-
صيام يوم عاشورا احتسب على الله ان يكفر السنة التى قبله.
রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, ‘মুহাররম মাসের দশ তারিখে কেউ রোযা রাখলে অতীতের এক বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে বলে আমার আশা।’ মেশকাত শরীফ, পৃষ্ঠা-১৭৯)
তাহলে দেখা গেল, হুসাইন রাযি.-এর শাহাদতের অনেক আগেই রাসূলুল্লাহ সা. এ দিনের ফযীলত সম্পর্কে বলে গেছেন। তাই হযরত হুসাইন রাযি.-এর শাহাদতের স্মৃতির স্মরণে এ দিনটি উদযাপন করা হয় না। বরং এ দিনটি উদযাপন করার প্রকৃত কারণ বুখারী ও মুসলিম শরীফে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন-
قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم الـمدينة
فوجد اليـهود صياما يـوم عاشورا
‘রাসূলুল্লাহ সা. মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনায় গিয়ে দেখলেন, মদীনার ইহুদীরা মুহাররমের দশ তারিখে আশুরার দিনে রোযা রাখে। রাসূলুল্লাহ সা. তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন-
ما هذا اليوم الذى تصومونه؟
‘এ দিনটি কিসের? এ দিনে তোমরা রোযা রাখ কেন?’
তখন ইহুদীরা উত্তর দিল-
هذا يوم عظيم انجى الله موسى فيه وقومه
وغرق فرعون وقومه.
‘এটা একটা মহান দিন। এ দিনে আল্লাহ তা’আলা হযরত মুসা আ. এবং তাঁর গোত্র বনি ইসরাইলকে সমুদ্র পার করিয়ে দিয়েছিলেন। শত্রুর হাত থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। আর মুসলমানদের দুশমন ফেরাউন ও তার গোত্রকে সমুদ্রে ডুবিয়ে মেরেছিলেন।’
فصامه موسى شكرا فنحن نصومه.
‘হযরত মুসা আ. এই বিপদ থেকে মুক্তি পেয়ে এই মহান নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার লক্ষ্যে এই দিনে রোযা রেখেছিলেন। এজন্য আমরাও এ দিনে রোযা রাখি।’
তখন নবীয়ে কারীম সা. ইরশাদ করলেন-
نحن احق واولى بـموسى منكم، فصامه
رسول الله صلى الله عليه وسلم وامر بصيامه.
হযরত মুসা আ.-এর আমল অনুসরণ করার ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে আমরা বেশি হকদার, বেশি নিকটতম। সুতরাং হযরত মুসা আ. যদি এটা করে থাকেন, তাহলে আমাদেরও করা দরকার। তাই রাসূলুল্লাহ সা. নিজে এ দিনে রোযা রেখেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও রোযা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
তাহলে বোঝা গেল, এ রোযার ফযীলত এজন্য যে, হযরত মুসা আ. এ দিন বড় একটি নেয়ামত পেয়েছিলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে ও তার কওম বনি ইসরাইলকে সমুদ্রের বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলেন। আর ফেরাউন ও তার কওমকে সমুদ্রে ডুবিয়ে মেরেছিলেন। আল্লাহ তা’আলা এত বড় বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন, এর শুকর আদায়ের জন্য হযরত মুসা আ. রোযা রেখেছিলেন।
…..
(বিস্তারিত পড়ুন মূল বইয়ে…)

Additional information

Weight .3 kg

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Alokito Jibon”

Your email address will not be published. Required fields are marked *